রিয়াল মাদ্রিদই জিতলো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ

বিডিকষ্ট ডেস্ক

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও রিয়াল মাদ্রিদ; এক শহরের দুই দল মুখোমুখি হয়েছিলো চ্যাম্পিয়ন্স লিগে। যে দলই জিতুক, মাদ্রিদে উল্লাস হতো ঠিকই! এ ব্যাপারটা নিশ্চিত ছিলো আগে থেকেই। শেষ পর্যন্ত তাই হলো। মাদ্রিদকে আনন্দে ভাসালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোরা। দুই মাদ্রিদের লড়াইয়ে শেষ হাসিটা হেসেছে রিয়াল মাদ্রিদ।

real madrid won eleventh champions league

১১তম বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে ইউরোপ সেরার খেতাবটা নিজেদের করে নিলো রিয়াল। তবে খুব সহজে প্রতিবেশি দলকে হারাতে পারেনি তারা। মূল সময়ে ম্যাচ ছিলো ১-১ গোলের সমতায়। শেষ পর্যন্ত ফলাফল নির্ধারিত হয়েছে অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে।

৯০ মিনিটে জিতে যেতে পারতো অ্যাটলেটিকোই। কিন্তু দুর্ভাগ্য তাদের। একটি পেনাল্টি মিস করার খেসারত দিয়ে তাদের যেতে হয় টাইব্রেকারের ভাগ্য পরীক্ষায়। সেখানে আরো একবার দুর্ভাগ্য হানা দেয় ডিয়েগো সিমিওনের শীষ্যদের।

ম্যাচের ১৫তম মিনিটে সার্জিও রামোস গোল করে এগিয়ে নেন রিয়াল মাদ্রিদকে। এক গোল হজম করার পর অ্যাটলেটিকো যেনো জেগে উঠে আরো বেশি ক্ষীপ্রতা নিয়ে। রিয়ালও এক গোলের প্রেরণায় হয়ে উঠে অপ্রতিরোধ্য চলতে থাকে যুদ্ধের তাণ্ডব।

দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি পেয়ে সমতায় ফেরার উপলক্ষ্য পেয়ে যায় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। কিন্তু আতোয়া গ্রিজম্যান মিস করে বসেন পেনাল্টি। এই পরিস্থিতিতে ৯০ মিনিটেই খেলা শেষ হওয়ার আশায় বসেন রিয়াল সমর্থকরা। কিন্তু ৭৯ মিনিটে গিয়ে ক্যারাসকোর গোলে ম্যাচে ফিরে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। দেখা দেয় নতুন কিছুর সম্ভাবনা।

কিন্তু কাজ হয়নি। অ্যাটলেটিকোকে শঙ্কায় ফেলে ম্যাচ যায় টাইব্রেকারে। সেখানে গিয়ে ৫-৩ ব্যবধানে জিতে যায় রিয়াল মাদ্রিদ। ২০০২ সালে খেলোয়াড় হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিলেন জিনেদিন জিদান। ১৪ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতলেন তিনি। তবে এবার রিয়ালের কোচ হিসেবে। পৃথিবীর সব চেয়ে সুখী মানুষ এখন বোধহয় জিদানই!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Anti-Spam Quiz: