eating-too-little-gaining-weight

ভুলভাবে ডায়েট আর না: ডায়েটিং কায়দা

BDcost Desk:

ওজন বেড়ে যাওয়া আমাদের একটি পরিচিত সমস্যা। বিভিন্ন কারণে ওজন বেড়ে যায়। যার মধ্যে বেশি খাওয়া, অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাওয়া, মিষ্টি বেশি খাওয়া, ভাজাভুজি, যখন তখন খাওয়া, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ইত্যাদি অন্যতম। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে শারীরিক অসুস্থতা কিংবা জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের কারণেও ওজন বেড়ে যায়। তবে যে কারণেই ওজন বাড়ুক না কেন, তা সব ক্ষেত্রেই শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। অর্থাৎ সুস্থ জীবনযাপনের জন্য সেরা উপায় হলো নিয়ন্ত্রিত ওজন। আমরা অনেকেই না জেনে ভুলভাবে ডায়েট করি। যার ফল হিসেবে ওজন কমার সাথে এর প্রভাব পড়ে আমাদের ত্বক ও চুলে। ত্বক ও চুল এদের স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারায়। তাই একটু জেনে বুঝে ডায়েটিং করলে স্বাস্থ্য রক্ষার পাশাপাশি সৌন্দর্য ধরে রাখতে সম্ভব। কিছু ভালো ডায়েট প্লান জেনে নিয়ে ডায়েটিং করতে পারলে ভালো ফল পাবেন আশা করা যায়।
• খাবারে শর্করার পরিবর্তে সবজি ও ফল রাখা দরকার, কারণ এগুলোতে প্রচুর ভিটামিন ও ফাইবার আছে। সালাদ বেশি বেশি খাওয়া দরকার।
• মাছ অবশ্যই খেতে পারেন। তবে গরু ও খাসির গোশত না খাওয়াই ঠিক। মুরগির গোশত খাওয়া যেতে পারে। ভাত কম খেয়ে সবজি, ফল, সালাদ, স্যুপ বেশি খেতে হবে।
• ডায়েটিং করা মানেই সব ধরনের খাবার তালিকা থেকে বাদ দেয়া নয়। মাছ, সবুজ শাক-সবজি, অলিভ অয়েল, ফল এসব অবশ্যই খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। এসব খাবার শুধু অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করবে না একই সাথে ত্বক ভালো ও সুস্থ রাখতেও এদের প্রয়োজন রয়েছে।
• অলিভ অয়েল ও টমেটোতে থাকা এন্টি-অক্সিডেন্ট সূর্যের রশ্মির ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করে।
• খাদ্য তালিকা থেকে সব ধরনের গোশত বাদ দিতে চাইলে সেই চাহিদা পূরণ করতে তাজা সবজি ফল ও শস্যদানা জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। এসব খাবারে থাকা এন্টি-অক্সিডেন্ট সেসব ফ্রি র‌্যাডিকেলসগুলো প্রতিরোধক করবে যেগুলো বলিরেখা, ব্রাউন স্পটস ও ত্বক কুচকে যাওয়ার কারণ হিসেবে কাজ করে। সবজি অলিভ অয়েল বা সানফ্লাওয়ার অয়েল দিয়ে রান্না করতে পারেন। কারণ এগুলো ত্বককে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে।
• শর্করা জাতীয় খাবার খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিলে তার বদলে শস্যদানা, সালাদ, মুরগির গোশত রাখুন ডায়েট চার্টে। এগুলো ত্বকের বিভিন্ন স্পট রুখতে সাহায্য করবে একই সাথে কোলাজন তৈরি করার প্রোটিনের জোগান দেবে। তবে সতর্ক থাকতে হবে কারণ অতিরিক্ত গোশত ফ্রি র‌্যাডিকেল উৎপাদনে সাহায্য করে।
• প্রচুর পানি ও পানি জাতীয় খাবার গ্রহণ করুন। মাছ ও পরিমিত মুরগির গোশত রাখুন খাদ্য তালিকায়। এন্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ সবুজ শাক রাখুন প্রতিদিনের ডায়েটে। ত্বককে সুস্থ রাখতে কিছুটা ফ্যাটের প্রয়োজন রয়েছে। কারণ এন্টি-অক্সিডেন্ট কিছু ফ্যাট শোষণ করতে সাহায্য করে যা কোষকে শক্তিশালী করে ও ত্বককে রাখে সতেজ। বাদাম থেকে এই ফ্যাট পাওয়া যায়। বিভিন্ন ধরনের বাদাম রাখুন খাদ্য তালিকায়।
• একই সাথে মসলা দেয়া, অতিরিক্ত রান্না করা খাবার বাদ দিতে হবে। কারণ এতে খাদ্য অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। তাই ফ্রেশ, অল্প রান্না করা, কম মসলা দেয়া খাবার রাখুন খাদ্য তালিকায়। একই সাথে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ব্যায়ামও করতে হবে।

কেনার আগে অসংখ্য শপ থেকে মুহূর্তেই সর্বনিন্ম বাজার মূল্য যাচাই করতে ক্লিক করুনঃBDcost

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Anti-Spam Quiz: